০৮ আগস্ট, ২০২০ || ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

শিরোনাম
৩০২

‘করোনাভাইরাস আতঙ্কটা এখন এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যেটা খুব দুঃখজনক’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২০  

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরোনো ছবি

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরোনো ছবি

সরকার করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে উচ্চহারে সংক্রমিত এলাকাগুলোতে লকডাউনের পাশাপাশি কারো যেন খাবারের অভাব না হয় সেজন্য অর্থনীতির চাকাকেও সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন।

আজ রোববার দুপুরে একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম (বাজেট) অধিবেশনে সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে গৃহীত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনাভাইরাস আতঙ্কটা এখন এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যেটা খুব দুঃখজনক। তবু, আমরা ঠিক করেছি কোন কোন এলাকায় বেশি (করোনা সংক্রমণ) দেখা যাচ্ছে সেটা লকডাউন করা। আমরা সেটা আটকাচ্ছি যাতে সেখান থেকে আর কোনোভাবে সংক্রমিত না হয়।’

তিনি বলেন, ‘সাথে সাথে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলো যেন সচল থাকে সেদিকেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আমরা একটা বাজেটও দিতে সক্ষম হয়েছি।’

বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মানুষগুলোকে তো আমরা করোনার ভয়ে না খাইয়ে মারতে পারি না। তাদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থাতো আমাদের নিতে হবে। তাদের জীবনযাত্রাটা যেন চলে সে ব্যবস্থাটাতো আমাদের করতে হবে।’

করোনাভাইরাসকে ‘শক্তিশালী’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উন্নত পশ্চিমা দেশগুলোতে এই রোগের যে ধরন দেখেছেন তাতে এই রোগের সংক্রমণ এবং মৃত্যুহার ক্রমেই বেড়ে গিয়ে একটি পর্যায়ে গিয়ে থামে। বর্তমানে যে ওয়েভটি দক্ষিণ এশিয়া তথা বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে চলছে।’

মোহাম্মদ নাসিম ও শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন—সরকারি দলের বেগম মতিয়া চৌধুরী, হাবিবে মিল্লাত, মৃণাল কান্তি দাস, বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির মোস্তফা লুতফুল্লাহ। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

এরপর মোহাম্মদ নাসিম ও অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য এক মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

এরপর প্রথা অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে সংসদ মূলতবির রেওয়াজ থাকায় এদিনের সংসদ মূলতবি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন
জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত