২১ আগস্ট, ২০১৯ || ৬ ভাদ্র ১৪২৬

শিরোনাম
  বিএনপি নাকি জাতিসংঘে যাবে : কাদের        ঢাকায় নেমেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিলেন জয়শঙ্কর     
১০৪

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ মার্চ ২০১৯  

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। টুইটারে দেওয়া ওই হুমকির বিষয়ে ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ।

টুইটারে 'ইউ আর নেক্সট' লেখা ক্যাপশনসহ একটি বন্দুকের ছবি পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডাকে।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটারের ওই পোস্টের বিরুদ্ধে কয়েকজন রিপোর্ট করায় ওই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হয়ে গেছে। ওই একাউন্টটি বন্ধ হওয়ার  ৪৮ ঘন্টা আগে ওই পোস্টটি করা হয়েছিল।

আরেকটি পোস্টেও একই ছবি সম্বলিত পোস্ট প্রধানমন্ত্রী ও নিউজিল্যান্ডের পুলিশকে ট্যাগ করা হয়। যেখানে ইসলাম বিদ্বেষী ও শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য নিয়ে র্ঘণামূলক পোস্ট করা হয়। পরে ওই অ্যাকাউন্টটিও বন্ধ করে দেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ।

পুলিশের এক মুখপাত্র হেরাল্ডকে জানিয়েছে, পুলিশ এসব মন্তব্যের বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান করছে। আর এসব মন্তব্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তবে, টুইটার ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের পোস্ট নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

গত ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় ৫০ জন নিহত হন। কট্টর শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেনটন ট্যারেন্ট এ হত্যাযজ্ঞ চালায়। এ হামলার পর বিশ্বব্যাপী নিউজিল্যান্ডের হামলার ঘটনাটি আলোচনায় উঠে আসে। 

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার টুইট নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষ জানিয়ে, ‌আমরা প্রতিবেদনটি পাওয়া মাত্রই সেটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, আমাদের টিম প্রতিনিয়ত এ ঘটনাকে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ ধরনের ভিত্তিহীন ও সন্ত্রাসবাদে উষ্কানিমূলক কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ করছে।'

‌বিষয়টি নিয়ে তদন্ত আরও সহজ করার জন্য আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। আমরা খুব শক্তভাবে এ ধরনের বিষয়গুলো থেকে ব্যবহারীদের দূরে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।'

ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলা চালানোর সময় হামলাকারী ফেসবুকে প্রায় ১৭ মিনিট লাইভ করে। এই ঘটনাতে ফেসবুকের বিরুদ্ধেও সমালোচনা হয়েছে। অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কেন ওই লাইভ সরিয়ে নিতে বিলম্ব করলে তা নিয়ে ব্যবহারকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বাধিক পঠিত