০৫ এপ্রিল, ২০২০ || ২২ চৈত্র ১৪২৬

শিরোনাম
  পাবনার একটি গ্রাম লকডাউন        নাগরিকত্ব আইনের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না : শ্রিংলা        নারীদের প্রেরণা জোগানোদের অন্যতম শেখ হাসিনা     
৮১

পূজার দিনে ভোট কেন, ব্যাখ্যা দিলেন ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০২০  

ইসি সচিব মো. আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

ইসি সচিব মো. আলমগীর। ছবি : সংগৃহীত

৩০ জানুয়ারি স্বরস্বতী পূজার দিনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করায় শাহবাগ অবরোধ করে আন্দোলনে নেমেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। তবে ওই দিন এ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের কারণ ব্যাখা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আসন্ন ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন।
ইসি সচিব বলেন, ‘১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা, মার্চ স্বাধীনতার মাস, এরপর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের নানা প্রোগ্রাম আছে। আবার এপ্রিলে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। মে মাসে নির্বাচনের যে তারিখ আছে, তা কোনোভাবেই করা সম্ভব না। শিডিউল এমনভাবে দিতে হবে যে, প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীদের অবশ্যই কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিতে হবে প্রচারের জন্য। এ ক্ষেত্রে একদিন কম দিয়ে ১৪ দিন সময় দিলে প্রার্থীরা আবার আদালতে যেতে পারবেন। আদালতও আইনের পক্ষে রায় দেবেন। তাই সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই কমিশন অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গতভাবে ৩০ জানুয়ারি ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ইসি সচিব আলমগীর বলেন, ‘সরকারি ক্যালেন্ডারে ২৯ তারিখ পূজার কথা বলা আছে। ক্যালেন্ডার তো সেদিন হয়নি, এটি অক্টোবরে হয়েছে এবং নভেম্বরে এটি গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই ক্যালেন্ডার রয়েছে। তখন কেন তারা সরকারের কাছে বলেননি পূজা ২৯ নয় ৩০ তারিখে। সরকার যদি মনে করত পূজা ৩০ তারিখে, তাহলে সেদিন পূজার তারিখ ঘোষণা হতো। আমরাও ২৯ তারিখেই শিডিউল দিতে পারতাম, কোনো সমস্যা ছিল না। সরকারিভাবে ২৯ তারিখ পূজার তারিখ দেওয়ায় সেদিন ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না নির্বাচন কমিশনের।’
ভোটের তারিখ পেছাতে ছাত্রদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘ছাত্ররা আন্দোলন কেন করছেন, কারা এটিকে সংগঠিত করছেন, সেটার তথ্য আমাদের কাছে নেই। হয়তো কেউ পেছন থেকে তাদের বোঝাচ্ছেন, পূজার দিনে ভোট হচ্ছে। অথবা আদালত যে আদেশ দিয়েছেন বুঝে-শুনেই দিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশনও বুঝে শুনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে নিশ্চয়ই তাদের বুঝানো হচ্ছে না তাদের হয়তো বলা হচ্ছে, গোপন করে অন্যভাবে বোঝানো হচ্ছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা ভুল বুঝতেই পারেন। কারণ তাদের তো বয়স কম। আমার ধারণা তাদের এই ভুলটা কেটে যাবে। তারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন।’

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত