১৯ অক্টোবর, ২০১৯ || ৪ কার্তিক ১৪২৬

শিরোনাম
  বুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের বৈঠক চলছে        আবরার হত্যায় ৫ দিন করে রিমান্ডে অমিত-তোহা     
৪৩

রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস ছাড়লেন উপাচার্য নাসির, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ক্যাম্পাস ছেড়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ক্যাম্পাস ছেড়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ছেড়েছেন। আজ রোববার রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ভিসি নাসিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে এবং তার গাড়ি ক্যাম্পাস ত্যাগ করার পর পরই সবাই বিজয় উল্লাস করতে থাকে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য নাসিরউদ্দিনের পরিপূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এর আগে রোববার সকালে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে অভিযুক্ত বশেমুরবিপ্রবি’র উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনকে প্রত্যাহার করার সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশও করা হয়।

আজ রোববার সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কাজী শহীদুল্লাহর কাছে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। পরে সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি সুপারিশ করা হয়। সেগুলো হলো- ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ উঠেছে তার প্রমাণ হয়েছে, তিনি (ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিন) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় যোগ্য নয়, তাই তাকে ভিসি পদ থেকে সরিয়ে দেয়া এবং তার বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সেসব বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশ উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যায়। এ অবস্থায় ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন গোবরা এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে বহিরাগতরা। এতে ২০ শিক্ষার্থী আহত হন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ওইদিন দুপুরে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবির। এরপর গত দুইদিনে আরও দুইজন সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেছেন।

 

আরও পড়ুন
শিক্ষাঙ্গন বিভাগের সর্বাধিক পঠিত