২১ নভেম্বর, ২০১৯ || ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

শিরোনাম
  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা        আজ শোকাবহ জেল হত্যা দিবস     
৬৫

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য হচ্ছে ১২০০ ফ্ল্যাট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০১৯  

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সংকট দূর করতে রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়ায় ১ হাজার ২০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করবে সরকার। এ জন্য ১ হাজার ৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন হয়।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তর। চলতি বছর শুরু হয়ে ২০২২ সালের অক্টোবরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২৫টি ভবনে ৮০০ বর্গফুট আয়তনের ৮১৬টি ও এক হাজার বর্গফুট আয়তনের ৩৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় শুধু ১২০০ ফ্ল্যাটই নয়, থাকবে ক্লাব, প্রাইমারি স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, মসজিদ, মন্দিরসহ নানা সুযোগ-সুবিধা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় বেজমেন্টসহ ১৭টি ১৩ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। এগুলোয় ৮০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট থাকবে ৮১৬টি। এ ছাড়া বেজমেন্টসহ ৮টি ১৩ তলার ভবন নির্মাণ হবে। এগুলোয় এক হাজার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট থাকবে ৩৮৪টি।

প্রকল্প এলাকায় একটি ছয় তলা মসজিদ, একটি তিন তলা মন্দির, একটি চার তলা মাল্টিপারপাস ভবন, চারটি গভীর নলকূপ, ভূগর্ভস্থ জলাধার, বিদ্যমান দুটি জলাশয় উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ, ফুটপাত, রাস্তা, সীমানাপ্রাচীর ও লিফটসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় আবাসিক ভবনের বাইরে দুটি চার তলা সার্ভিস ভবন, একটি তিন তলা বোট ক্লাব, একটি তিন তলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি ছয়তলা কমিউনিটি ব্লক নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য শামীমা নার্গিস বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা কমে আসবে।

প্রকল্পের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ঢাকা শহরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯১৫ জন। তাদের বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট রয়েছে ১৩ হাজার ৫২টি, যা মোট চাহিদার ৮ ভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা ৪০ শতাংশ করার অনুশাসন দিয়েছিলেন। এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সব ধরনের আধুনিক সুবিধাসহ বহুতল ভবন নির্মাণেরও নির্দেশ দেন।

এসব নির্দেশনা মেনে বিদ্যমান আবাসন সংকট নিরসনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের আওতায় থাকা বিভিন্ন খালি জমিতে এবং আবাসন এলাকায় জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের দারুসসালাম রোডের পূর্ব পাশে এ টাইপ কলোনি, তালতলা কলোনি, ওয়াকআপ পূর্বপাশ কলোনি এবং ডি টাইপ কলোনির ৬১টি পুরনো ও জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে ১৮ দশমিক ৩৬ একর জমিতে ২৫টি ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। এতদিন এসব ভবনে যারা বসবাস করতেন, তারা নতুন ফ্ল্যাট বরাদ্দে অগ্রাধিকার পাবেন।

জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত