২১ নভেম্বর, ২০১৯ || ৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

শিরোনাম
  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা        আজ শোকাবহ জেল হত্যা দিবস     
৮৪

সিডনিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘মনুমেন্টের ফান্ড রেইজিং ডিনার’

প্রবাস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৯  

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সিডনির রকডেলে রেডরোজ হলে অনুষ্ঠিত হলো সিডনির দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ‘মনুমেন্টের ফান্ড রেইজিং ডিনার’। গত রোববার এটি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, প্রায় ৩৫ হাজার ডলার সংগ্রহে পুরো সিডনির বাঙালিরা সমন্বিত হয়ে একযোগে কাজ করেছেন। এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন কেন্টারবুরী-ব্যাঙ্কসটাউনের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও বৃহত্তর ফরিদপুরের ভাঙ্গারের নাজমুল হুদা, কেন্টারবুরী-ব্যাঙ্কসটাউনের নির্বাচিত কাউন্সিলর ফেনীর সন্তান শাহে জামান টিটো, অস্ট্রেলিয়া যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের আব্দুল্লাহ আল নোমান শামিম, সিডনির বাংলা হাবের সভাপতি যশোরের মুনীর হোসেইন ও সিডনির সমাজসেবক কুমিল্লার লিঙ্কন শফিকুল্লাহ।

কেন্টারবুরী ব্যাঙ্কসটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলর খালিদ আশফর, শোফি কোটসি (এমপি), বাংলাদেশ হাই কমিশনের কাউন্সিল জেনারেল কামরুজ্জামান ও সর্বোপরি বাংলাদেশের হাইকমিশনার মান্যবর সুফিউর রহমানের উপস্থিতিতে সিডনির সবচেয়ে ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানটি সফল হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানান ড. তানভীর এবং ফান্ড রেইজিং ডিনার উপস্থাপনা করেন স্মৃতিসৌধের মূল উদ্যোক্তা কাউন্সিলর নাজমুল হুদা। স্মৃতির মিনারের বিস্তারিত তুলে ধরেন মুনীর হোসেইন। ছাড়া কাউন্সিলর ও উদ্যোক্তা শাহে জামান টিটো কাজের বিস্তারিত তুলে ধরেন। উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে এই মিনারের সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত বলেন।

এসময় উদ্যোক্তা লিঙ্কন শফিকুল্লাহ প্রবাসীদের নিয়ে এই সমন্বিত প্রয়াসের আলোচনা উপস্থাপনা করেন। কেন্টারবুরী-ব্যাঙ্কসটাউন কাউন্সিলের উদ্যোগে এই প্রক্রিয়াকে সামনে নিয়ে আসে পাঁচজন ভাষাযোদ্ধা। তাদের ক্রমাগত প্রয়াসে এই কাজটি সফলতার মুখ দেখে সাত মাস পরে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মান্যবর হাইকমিশনার বলেন, ‘ভাষাযোদ্ধাদের এই অনবদ্য কাজে ও সিডনির সফল এই কাজে আবারো এটি প্রমাণ হলো, বাঙালি ঐক্যবদ্ধ তার দেশ, ঐতিহ্য ও অহংকারের অবস্থান থেকে।’

প্রসঙ্গত, এই শহীদ মিনারটি সিডনিতে ভাষা দিবসের ওপর দ্বিতীয় প্রয়াস। এর আগে ২০০৬ সালে একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে সিডনির এশফীল্ড পার্কে পৃথিবীর প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মনুমেন্ট তৈরি হয়।