২১ মে, ২০১৯ || ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

শিরোনাম
  বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা        ৮০ বছরের মধ্যে ডুবে যাবে বাংলাদেশের বড় অংশ?        ৩৪ পয়েন্টে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ        ২০ লাখ টাকায় রফা কুড়িয়ে পাওয়া রাজকুমারী     
২৭৫

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২১ ডিসেম্বর ২০১৬   আপডেট: ৮ জানুয়ারি ২০১৭

জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মতো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে রোল মডেল হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করা হবে। দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি-বেসরকারি খাতকে সরকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ‘নতুন অর্থনীতি : ২০৩০ ও পরবর্তী ভাবনা’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে। বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে দেশি-বিদেশি অর্থনীতিবিদ ও উদ্যোক্তারা সম্মেলনে অংশ নেন। দেশের যত্র তত্র শিল্প কারখানা স্থাপন না করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য শিল্প উদ্যোক্তাদের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সরকারপ্রধান বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রা বর্তমানে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উন্নয়ন প্রকল্পের ৯০ ভাগ অর্থ আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে ব্যয় করতে সক্ষম হচ্ছি। আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছি। ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বে ২৯তম এবং ২০৫০ সালের নাগাদ বিশ্বে ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমরা টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বাণিজ্যের প্রসার, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি। এ দেশ আমাদের দেশ, ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে দেশকে এগিয়ে যেতে হবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশজুড়ে আমরা ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। যেখানে সেখানে যেন শিল্পায়ন না হয়, এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে যেন শিল্পায়ন হয় সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তাতে আমরা মনে করি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে, দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে।’ পরে ডিসিসিআই প্রকাশিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
রাজধানী বিভাগের সর্বাধিক পঠিত